Breaking News

আপনার NID কার্ডের ভুল সংশোধন করুন এখানে

NID Card Correction বা জাতীয় পরিচয় পত্রের ভুল সং’শোধ’ন করার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই আর্টিকেলটিতে। আমাদের দেশে ১৮ বছরের উপর বয়স হলে এনআইডি কার্ড এর আবেদন করা যায়। এনআইডি কার্ড আমাদের নানা রকম কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এনআইডি কার্ডের গুরুত্ব অনেক।

বিকাশ অ্যাপ ইন্সটল করলেই পাবেন  ১০০ টাকা বোনাস! Bkash App Download Link

সরকারিভাবে নাগরিকদের ২০০৮ সাল থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া শুরু করে। শুরু থেকেই পরিচয়পত্রে বিভিন্ন রকম ভুলের অভিযোগ পাওয়া যায়। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যে ভুল হলে নানারকম হয়রানিতে পড়তে হয়।

আমাদের অনেকেরই NID Card এর অনেক তথ্য ভুল হয়ে যায়। যেমন: কারো নিজের নাম ভুল হয়, কারো বাবার নাম বা মায়ের নাম ভুল হয়। আর এই ভুলের জন্য আমাদের নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। তাই আমাদের NID Card বা ভোটার আইডি কার্ডের ভুল সংশোধন করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

আপনি চাইলে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ভুল তথ্য সংশোধন করতে পারেন এমনকি আপনার ছবিও পরিবর্তন করতে পারেন। আজ আমরা জানবো কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায়। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

কিভাবে আপনার NID কার্ডের ভুল সংশোধন করবেন?

আপনাকে আমি রিকোয়েস্ট করবো, প্রথমে আপনি এই লেখাটি শেষ পর্যন্ত ভালো করে একবার পড়ে নিন। তারপর সংশোধন করার কাজ শুরু করুন। শুরুতে আপনাকে এনআইডি পোর্টালে ঢুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। সেখানে এনআইডি নম্বরটি দরকার হবে। অ্যাকাউন্টে ঢুকলে সেখানে লিংক পাবেন অনলাইনে অর্থ পরিশোধের।

ওকে ওয়ালেট ও রকেটের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যায়। সোনালি ব্যাংকের মাধ্যমেও পরিশোধ করতে পারেন। জাতীয় পরিচয়পত্রে যেসব তথ্য লেখা থাকে সেগুলোর যেকোনো একটি সংশোধন করতে চাইলে প্রথমবার আবেদনের জন্য ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যতবার আবেদন করবেন ৪০০ টাকা ফি দিতে হবে।

এছাড়া আরও কিছু তথ্য রয়েছে যেগুলো পরিচয়পত্রে লেখা থাকে না। সেগুলোও সংশোধন করা যায়। সেক্ষেত্রে প্রথমবার ১০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তীতে প্রতিবার ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। ফি পরিশোধ হয়ে গেলে এডিট করার লিংকে তথ্য চলে যাবে। এরপর আপনি তথ্য সংশোধন অপশনে যেতে পারবেন। সংশোধনের জন্য কিছু কাগজের কপি আপলোড করতে হবে। যা কারণভেদে ভিন্ন।

যেমন নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সনদপত্র, পাসপোর্টের কপি, ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কাগজ, বিয়ের পর স্বামীর নাম যোগ করতে চাইলে নিকাহনামা, স্বামীর জাতিয় পরিচয়পত্রে ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে, বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে তালাকনামা সংযুক্ত করতে হবে।

কোন ধরনের সংশোধনে কি কাগজ লাগবে সেটি ওয়েবসাইটেই দেয়া রয়েছে। তথ্য সংশোধন অনুমোদন হয়ে গেলে আপনি একটি মেসেজ পাবেন।ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেই সংশোধিত এনআইডি প্রিন্ট করে লেমিনেট করে নিতে পারেন।

ইন্টারনেট না থাকলে যা করতে হবে

বাংলাদেশে সবার ইন্টারনেট ব্যাবহারের সামর্থ্য নেই। অথবা অনেকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। তাদের জন্য দেশের প্রতিটি উপজেলায় নির্বাচন অফিস রয়েছে। সেখানে দুইজন করে ‘ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম।

“তারাই সবধরনের ডাটা এন্ট্রিতে সহযোগিতা করবেন। তাদের সেভাবে বলা আছে। এটা পুরোটাই বিনামূল্যে করবেন তারা। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন কাউন্সিলে যে ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে সেখানেও যাতে নাগরিকেরা অনলাইনে এনআইডি সংক্রান্ত সেবা পান সেই পরিকল্পনা করছি আমরা।”

আশা করছি, NID Card Correction নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। তারপরেও যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। তাহলে আজ এই পর্যন্তই।  সবাই ভালো থাকবেন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

error: Content is protected !!