Breaking News

করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে যেসব জেলা!

দেশে ম’হামা’রি আ’কার ধারণ করেছে করো’না ভাই’রাস। দিন দিন করো’না সং’ক্রমণ পরি’স্থিতি দ্রুত অবন’তি দিকে যাচ্ছে। হু হু করে বাড়ছে নতুন রোগী শনা’ক্ত ও মৃ’ত্যু। বুধবার (২৪ জুন) নতুন রোগী শনা’ক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৭২৭ জন, যা গত আড়াই মাসের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ। দুই মাসের বেশি সময় পর এদিন রোগী শনা’ক্তের হারও ২০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এছাড়া গতকাল করো’নায় মা’রা গেছেন ৮৫ জন।

বিকাশ অ্যাপ ইন্সটল করলেই পাবেন  ১০০ টাকা বোনাস! Bkash App Download Link

দেশের এই পরিস্থি’তি বিবেচনায় গত এক সপ্তাহের নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনা’ক্তের হার বিবেচনা করে উচ্চ ঝুঁ’কিতে থাকা জেলার তালিকা চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তারা বলছে, দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪০টিই সং’ক্রম’ণের অতি উচ্চ ঝুঁ’কিতে রয়েছে। এছাড়া আরও ১৫টি জেলা আছে সং’ক্রম’ণের উচ্চ ঝুঁ’কিতে। সং’ক্র’মণের মধ্যম ঝুঁ’কিতে আছে ৮টি জেলা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের দশটি জেলার সব কটিই সং’ক্র’মণের অতি উচ্চ ঝুঁ’কিতে আছে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মধ্যে ছ’য়টি অতি উচ্চ ঝুঁ’কিতে, দুটি আছে উচ্চ ঝুঁ’কিতে। ঢাকা বিভাগের মধ্যে সাতটি জেলা আছে অতি উচ্চ ঝুঁ’কিতে।

রাজধানীসহ দুটি জেলা আছে উচ্চ ঝুঁ’কিতে আর চারটি জেলা আছে মধ্যম ঝুঁকিতে। রংপুর বিভাগের পাঁচটি অতি উচ্চ এবং তিনটি জেলা উচ্চ ঝুঁ’কিপূর্ণ। চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামসহ ছয়টি জেলা অতি উচ্চ, তিনটি জেলা উচ্চ এবং একটি জেলা মধ্যম ঝুঁ’কিপূর্ণ। বরিশাল বিভাগে তিনটি জেলা অতি উচ্চ ঝুঁকিতে এবং মধ্যম ঝুঁ’কিতে তিনটি জেলা। সংক্রমণ এখনো তুলনামূলক কম সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

কয়েকটি জেলায় লকডাউন দেওয়া হলেও উত্তর ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না; বরং তা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এখন পরিস্থিতির বেশি অবনতি হয়েছে খুলনা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় মা’রা যাওয়া ৮৫ জনের মধ্যে ৩৬ জনই ছিলেন এই বিভাগের।

এই বিভাগের খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, মেহেরপুরে রোগী বাড়ছে দ্রুত। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা, বগুড়ায়ও রোগী বাড়ছে। এদিকে রাজধানী ঢাকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূচকে এখন পর্যন্ত করো’না সং’ক্র’মণের উচ্চ ঝুঁ’কিতে রয়েছে। ঢাকায় লকডাউন হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যতম মুখপাত্র রোবেদ আমিন বলেন,

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, আশপাশের মানুষজনকে ঠেকিয়ে রাখতে না পারলে ঢাকার পরিস্থিতি নাজুক হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে লকডাউনের প্রয়োজন হতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি এবং সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ না মানলে চলমান করোনা পরিস্থিতি আশ’ঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে যেতে পারে

বলে আশ’ঙ্কা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

error: Content is protected !!